শিক্ষার্থী

শিক্ষক

স্টাফ

কমিটির সদস্য

বিদ্যালয়ের ইতিহাস

About Us

শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া এই জনপদকে জ্ঞান ও শিক্ষার আলোয় উদ্ভাসিত করার মানসে আজ থেকে প্রায় এক শতাব্দীকাল পূর্বে প্রতিষ্ঠানটির গোড়াপত্তন হয়। বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী প্রয়াত যোগেন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী ও তাঁর অনুজ অবসরপ্রাপ্ত সাব-জজ হরেন্দ্র কিশোর চক্রবর্তীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। হবিগঞ্জ জেলার প্রাচীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২৪ সালে স্বীকৃত হলেও মূলত এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯২০ সালে। তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের সময় এর নাম ছিল 'স্বদেশী স্কুল'। তখন এটি হবিগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় পোস্ট অফিসের নিকটবর্তী চিড়াকান্দির বৈষ্ণব চরণ সাহার বাড়িতে অবস্থিত ছিল। তখনকার সময়ে ভারত বর্ষে বৃটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে তিব্র আন্দোলন গড়ে উঠেছিল এসময সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জেও স্বদেশি আন্দোলন চলছিল। তখন বৃটিশ নিয়ন্ত্রিত স্কুলগুলোতে বাঙ্গালী ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করা ছির দূরোহ ব্যাপার। জাতির সেই ক্রান্তিলগ্নে লাখাই থানার স্বজন গ্রামের ব্রাহ্মণ জমিদার বংশের কৃতি পুরুষ ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী যোগেন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২২ সালে স্কুলটি বর্তমান স্থান হবিগঞ্জ শহরের প্রবেশ দ্বার শায়েস্তানগরে নিজস্ব জায়গা ক্রয় করে স্থানান্তর করা হয় এবং এর নামকরণ করা হয় 'যোগেন্দ্র কিশোর হাই স্কুল'। তাঁর প্রচেষ্টায় ১৯২৪ সালে এটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সরকারি অনুমোদন লাভ করে। অন্যদিকে, ১৯৩০ সালে 'কালীবাড়ি সংস্থা' এবং স্থানীয় হিতৈষী ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে 'হিন্দু একাডেমি' নামে আরও একটি ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। তখন স্কুলটির অবস্থান ছিল বর্তমান আলী প্লাজার বিপরীতে পূরান মুন্সেফি রাস্তার সংলগ্ন মজা পুকুরের নিকটবর্তী স্থানে। পরবর্তীতে যোগেন্দ্র কিশোর চক্রবর্তীর অনুজ অবসর প্রাপ্ত হরেন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী তাঁর সাহায্যের হাত প্রসারিত করে রাজনগরের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে নিজস্ব জায়গা ক্রয় করে 'হিন্দু একাডেমি কে স্থানান্তর করেন এবং এর নামকরণ করা হয় 'হরেন্দ্র কিশোর হাই স্কুল'। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর হরেন্দ্র কিশোর বিদ্যালয়টি পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়লে, ১৯৪৯ সালে দুই ভাই তাঁদের নামের এই দুই বিদ্যালয়কে একত্রিত করার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে নতুন নামকরণ করা হয় 'যোগেন্দ্র কিশোর এন্ড হরেন্দ্র কিশোর হাই স্কুল', যা সংক্ষেপে 'জে. কে. এন্ড এইচ. কে. হাই স্কুল' নামে পরিচিতি পায়। হবিগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই বিদ্যালয়টির বর্তমান জমির পরিমাণ ৫.৪০ একর। বিদ্যালয়ে পযার্প্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সেভাবে গড়ে উঠেনি । ২০০৯ সালে সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহমান স্যারের প্রচেষ্ঠায় ও সাবেক শিক্ষা সচিব রিচি গ্রামের কৃতি সন্তান সৈয়দ আতাউর রহমানের আন্তরিকতায় বিদ্যালয়টি ১৫টি শাখার অনুমোদন পায়। ২০ টি শাখার অনুমোদন থাকায় বর্তমানে ৩২ জন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হয়েছে ফলে বর্তমানে সরকারীভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত পর্যাপ্ত শিক্ষক বিদ্যমান ।২০১৫ সালে এটি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি লাভ করার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ একটি কলেজে রূপান্তরিত হয়। সময়ের স্রোতে পৃথিবী পরিবর্তনশীল, আর এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে প্রতিটি শিশুকে বিকাশের উপযোগী পরিবেশ করে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। জে. কে. এন্ড এইচ. কে. হাই স্কুল এন্ড কলেজ কেবল একাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মনন, সৃজনশীলতা, দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। একটি মানসম্মত, টেকসই ও আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে এই প্রতিষ্ঠানটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আরও পড়ুন

প্রতিষ্ঠার সাল

১৯২৪ ইং

বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২৪ সালে ।

নামকরন

১৯৪৯ ইং

নতুন নামকরণ করা হয় 'যোগেন্দ্র কিশোর এন্ড হরেন্দ্র কিশোর হাই স্কুল।

মাধ্যমিক স্বীকৃতি

১৯২৪ ইং

মাধ্যমিক প্রথম অনুমতির তারিখ ০১-০১-১৯২৪ ইং

এমপিওভুক্তির তারিখ

১৯৮৪ ইং

প্রথম মাধ্যমিক এমপিওভুক্তির তারিখ ০১-১২-১৯৮৪ ইং।

প্রথম ভবন নির্মান

১৯২৪ ইং

প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে পুরাতন ভবনটি নিমার্ন হয়।

সর্বশেষ ভবন নির্মান

১৯১৯ ইং

প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ ভবনটি নিমার্ন হয়।

কর্মীবৃন্দ

শিক্ষার্থী সংখ্যা

ষষ্ট শ্রেণী

মোট শিক্ষার্থী
ছেলে
মেয়ে

সপ্তম শ্রেণী

মোট শিক্ষার্থী
ছেলে
মেয়ে

অষ্টম শ্রেণী

মোট শিক্ষার্থী
ছেলে
মেয়ে

নবম শ্রেণী

মোট শিক্ষার্থী
ছেলে
মেয়ে

দশম শ্রেণী

মোট শিক্ষার্থী
ছেলে
মেয়ে

XI

মোট শিক্ষার্থী
ছেলে
মেয়ে

XII

মোট শিক্ষার্থী
ছেলে
মেয়ে

কমিটি সদস্যবৃন্দ

পাপিয়া আক্তার
সভাপতি

পাপিয়া আক্তার

শাহ মোঃ আবুল হাসান
সদস্য সচিব

শাহ মোঃ আবুল হাসান

ফটো গ্যালারী